করোনা নতুন ভ্যারিয়েন্ট বিস্তৃতি এবং জনদুর্ভোগের দায় কার ? -সুদীপ্ত শাহিন

Date:

Share post:

করোনা নতুন ভ্যারিয়েন্ট বিস্তৃতি এবং জনদুর্ভোগের  দায় কার ?
সুদীপ্ত শাহিন

বর্তমানে দেশে করোনায় দ্রুত গতিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষকদের কাছে আশঙ্কা যে করোনার রূপ বদলেছে, এ কারণে দ্রুত আক্রান্তের হার বাড়ছে। দেশে এখন যাদের শরীরে করোনা ভাইরাস মিলেছে তা মূলত: যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন এবং  জানুয়ারি মাসেই বাংলাদেশে এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। কিন্তু জানুয়ারিতে পাওয়া গেলেও সে তথ্য  মানুষকে জানানো হয়েছে বহু পরে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন বিবিসিকে বলেছেন, জানুয়ারির শুরুতেই যুক্তরাজ্য ফেরত যাত্রীদের মধ্য থেকে প্রথম এই ধরণ শনাক্ত হয়। প্রথম যে যাত্রীর শরীরে এই নতুন ধরণ শনাক্ত হয়, তিনি যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখানে তার শরীর থেকে সংগ্রহকৃত নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে আইইডিসিআর করোনাভাইরাসের যুক্তরাজ্যের নতুন ধরণ শনাক্ত করে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশের চিন্তার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিলের পর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও পাওয়া গেছে করোনা ভাইরাসের বিপজ্জনক এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট। দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন, করোনার রূপ (জিনোম সিকোয়েন্স) বদলালেও এর চিকিৎসাব্যবস্থা একই। নিয়ন্ত্রণ করার কাজও একই। করোনার সংক্রমণ নিয়ে গবেষণায় লিপ্ত ব্রিটিশ নাগরিক ড. সানজাম সাহা গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি বরিশালের নাগরিক। বাংলাদেশে করোনার লক্ষণ দেখে এবং দেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে যারা জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং খোঁজ-খবর নিয়ে ড. সানজাম সাহা মতামত দিয়ে বলেছিলেন, সামনে বাংলাদেশে করোনা ক্ষিপ্রগতিতে ছড়ানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি।

দেখা যায়, গত বছর মার্চে যখন কোভিড-১৯ মহামারি যুক্তরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে তখন কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা, ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স, নতুন হাসপাতাল তৈরি, টিকা তৈরির জন্য আর্থিক সহায়তা এবং ভাইরাসের গতিবিধ পর্যবেক্ষণের জন্য কোভিড-১৯ জেনোমিকস ইউকে কনসোর্টিয়াম (সিওজি ইউকে) গঠিত হয়। এটি যুক্তরাজ্যে কোভিডে আক্রান্ত ১ লাখ ৭৯ হাজার ব্যক্তির পূর্ণ জিন নকশা (জিনোম সিকোয়েন্স) কাজ সম্পন্ন করে। তার মাধ্যমে ইংল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য বিভাগ গত ২১ ডিসেম্বর এই নতুন ধরনের ভাইরাস সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে প্রথম অবহিত করে। তবে গত বছরের অক্টোবর থেকেই বিজ্ঞানীরা ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে শুরু করেছিলেন বলে জানা যায়। নভেম্বরে যুক্তরাজ্যে আবার লকডাউন কার্যকর করা হলে সংক্রমণের হার কিছুটা কমলেও দেখা যাচ্ছিল যে কেন্ট এবং দক্ষিণ–পূর্ব লন্ডনে অস্বাভাবিকভাবে সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছিল। এই এলাকাগুলোর আক্রান্ত মানুষের নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সের ফলাফল দেখে একে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন হিসেবে শনাক্ত করা হয়, যার নাম দেওয়া হয় সার্স–কোভ–২ লিনেজ বি ১.১.৭ (SARS-Cov 2 Linege B.1. 1.7)।

ভাইরাসের জিনে যখন পরিবর্তন হয়, তখন তাকে ‘মিউটেশন’ বা রূপান্তর বলা হয়। বিজ্ঞানীরা বলেন সব ভাইরাসই কিছু না কিছু রূপান্তর ঘটিয়ে চলে। রূপান্তর হওয়া মানেই যে ভাইরাসটি বিপজ্জনক হবে, তা কিন্তু নয়। তবে যখন কোনো রূপান্তরের কারণে একটি ভাইরাস দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায় বা অধিকতর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে, তখন বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে সতর্ক করে থাকেন। দেখা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসটির ৩০ হাজার নিউক্লিওটাইডের মধ্যে মাত্র ২৩টির মিউটেশন ঘটার কারণে এই নতুন ধরনের ভাইরাসটি আগেরটির তুলনায় বেশি সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। যে ২৩টি রূপান্তর ঘটেছে, তার ৮টি হয়েছে আউটার স্পাইক প্রোটিনে, ৯টি হয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিডে, বাকি ৬টি অন্যান্য স্থানে। যুক্তরাজ্য ছাড়াও পৃথিবীর আরও চারটি দেশে এই নতুন ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। জার্মানিভিত্তিক বৈশ্বিক সংস্থা গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা বলছে, নতুন ভাইরাসটির ‘এন৫০১ওয়াই’ মিউটেশনটি গত বছর এপ্রিলে ব্রাজিলে, জুন জুলাই মাসে অস্ট্রেলিয়ায় আর জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণ ছড়িয়েছিল। এ বছরের জানুয়ারি মাসেই আইসিডিডিআরবির ভাইরোলজি ল্যাবরেটরির প্রধান জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের ইউকে ভ্যারিয়েন্ট ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্যারিয়েন্ট ও ব্রাজিল ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

কিন্তু বাংলাদেশ সরকারকে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের মতামত ও সতর্কতাকে গুরুত্ব না দিয়ে করোনা ভাইরাসের এই নিউ ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপারে উদাসীন থাকতে দেখা যায় । এত পূর্ব থেকে করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকার পরও সরকার তা গায়ে মাখায় নি। গত বছর নামকাওয়াস্তে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলো সে সমস্ত কর্মসূচি, সতর্কতাও  সরকার বন্ধ করে দেয় বলে পরিলক্ষিত হয়। ফলে এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট প্রায় বিনা বাধায় দেশে প্রবেশ ঘটে তার সুবিস্তার ঘটাতে সক্ষম হয়।  কারণ সরকারকে তখন অন্য মেজাজে থাকতে দেখা যায়। জানুয়ারি মাস থেকেই সরকারকে মূলত ১৭ মার্চ শেখ মজিবুর রহমানের জন্মদিন এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে সমস্ত স্বাস্থ্য নির্দেশিকা অমান্য করে বিদেশী অতিথি সহ হাজার হাজার মানুষকে  জমায়েত করতে দেখা যায় । সংবাদ মাধ্যমে জানা যায়, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে থেকে সফর শেষে দেশে ফিরে ১৪ দিনের কোয়ারেনটিনে থেকেছেন । কিন্তু বাংলাদেশ সফরের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় অতিথিদের সেই নিয়ম মানা হয় নি। ক্ষমতাসীন সরকার দেশের মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা বন্ধ করে দিয়ে ব্যাপক রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় করে জাঁক জমকের মাধ্যমে  স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী উদযাপন করতে কোন প্রকার স্বাস্থ্য নির্দেশিকাও অনুস্মরণ করতে দেখা যায়নি । ফলে দেখা যায় মার্চের ২য় সপ্তাহ থেকেই দেশে করোনার সংক্রমণ উর্দ্ধগতি ঘটতে থাকার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘণ করে ব্যাপক রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির শেষের দিকে অর্থাৎ মার্চের শেষ সপ্তাহে তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ইতিমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী  মোদীর সফরকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার মধ্যে সভা, সমাবেশ ও জমায়েত নিষিদ্ধ করে সরকার তড়িঘড়ি করে ১৮ দফা নির্দেশনা প্রদান করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে সমস্ত কিছুই জনগণের করণীয় নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও রাষ্ট্র ও সরকার কর্তৃক কোন দায় দায়িত্ব নেয়ার বিষয় তাতে থাকে নি। বরঞ্চ দেখা যায়, সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (শিক্ষা)  নিয়ন্ত্রণাধীন সরকারী মেডিক্যাল কলেজগুলির জন্য ২ এপ্রিল যাচ্ছেতাইভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার মাধ্যমে আবার লাখ লাখ মানুষকে জমায়েত করে। এতে সরকার ঘোষিত প্রজ্ঞাপন সরকার কর্তৃকই লঙ্ঘণ করার নজির তৈরি হতে দেখা যায়। এ সমস্ত কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার যখন আরো উর্দ্ধমুখী  তখন ৩ এপ্রিল সরকার আকস্মিক লকডাউন ঘোষণা করে। ঘোষিত লক ডাউনের প্রেক্ষিতেও ১১ দফা নির্দেশনা প্রদান করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় তাতেও সরকার ও রাষ্ট্রের দায় দায়িত্ব নেয়ার বিষয়ে উল্লেখ থাকতে দেখা যায়নি। তবে জনগণ যেনো সরকারী নির্দেশনা মেনে লকডাউন কার্যকর করতে বাধ্য হয় তার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে জনগণের উপর বলপ্রয়োগ ও বিভিন্নরকম নির্যাতন চালানোর দায়িত্বই কেবল পালন করতে দেখা যায়। যার ফলে জনগণের সাথে বিশেষ করে শ্রমজীবি মানুষের সাথে লকডাউনের কর্মসূচি শুরুতেই সরাসরি সংঘাতপূর্ণ  অবস্থায় দেখা যায়। কারণ রোযা ও ঈদকে সামনে রেখে এসব মানুষদের জীবন জীবিকা কিভাবে নির্বাহ হবে তার কোন দায়-দায়িত্ব সরকার নেয় নি। ফলে লকডাউনের আগের দিনেই ঢাকার নিউমার্কেটে দোকানী ও দোকান কমচারীদের সহিংস বিক্ষোভে এবং লকডাউন শুরুর দিন ঢাকাসহ দেশের ৫টি স্থানে সহিংস বিক্ষোভ দেখা যায়। এসমস্ত বিক্ষোভে সরকারেরই দায় বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। কারণ সবচেয়ে শ্রম ঘনত্ব যেখানে শিল্পখাত তা লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে, কিন্তু  অল্প নির্দিষ্ট কয়জন শ্রমিক-কর্মচারীদের দিয়ে চলে যেসব দোকান প্রতিষ্ঠান, হোটেল-রেস্টুরেন্ট , মেকানিক্স ওয়ার্কসপ, দর্জি কারখানা ইত্যাদি সেসমস্ত সেক্টরসমূহ বন্ধ রাখা হয়েছে। অথচ দেশের  শিল্পখাতে গার্মেন্টস এ কর্মরত প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিক সহ মোট এক থেকে দেড় কোটি শ্রমশক্তি নিয়োজিত । যেখানে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শ্রমশক্তি রয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি । শুধু মাত্র হোটেল রেস্টুরেন্টেই যেখানে ধরা হয় প্রায় ৩০ লক্ষ শ্রমিক কর্মরত। এসব কারণে লকডাউনের প্রথম দিন সহিংস বিক্ষোভ ও লকডাউন পালনে জনগণের মধ্যে উদাসীনতা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়ায় জোরপূর্বক লকডাউন কার্যকর করতে সরকার পুলিশ, প্রশাসন দিয়ে জনগণের উপর আরো  মারমুখী আচরণ করতে দেখা যায়। অথচ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অফিস আদালত খোলা থাকায় মানুষ গণপরিবহন ব্যবহার করতে না পারায় অবর্ণণীয় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। হোটেল -রেস্টুরেন্ট, দোকান-কর্মচারীসহ শ্রমজীবি মানুষরা কাজ করতে না পারায় তাদের মজুরি হচ্ছে না। ফলে অর্ধাহারে,অনাহারে চলছে তাদের সংসার। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞগণ মনে করছেন- অপরিকল্পিত এবং সরকারের দায়-দায়িত্বহীনতার লকডাউন একদিকে যেমন স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করবে না , আরেকদিকে  করোনা মহামারী রুখতে যেয়ে দুর্ভিক্ষ অবস্থা দেখা দেয়ার আশংকা রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞগণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বলছেন- লন্ডন, জার্মানিসহ  বিশ্বের অন্যান্য দেশেও  লকডাউনের বিরুদ্ধে সেখানকার হাজার হাজার  শ্রমিক জনগণ বিক্ষোভ করেছে । বিক্ষুব্ধ শ্রমিক জনগণ মনে করছেন -করোনা প্রতিরোধের জন্য সরকার সমূহের  আহুত লক ডাউন নাগরিকদের বাক, ব্যক্তি ও গণতান্ত্রিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্ঠা। তাদের দাবি করোনা নিয়ন্ত্রণে পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থা ব্যর্থ। করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহ মূলত ব্যবসা করছে । করোনা ভাইরাসকেও তাদের মুনাফা লুণ্ঠনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে । একমাত্র নিজেদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে এবং প্রকৃতিগত ভাবে ভাইরাসের বিভিন্ন রুপান্তর ঘটে তা এক ধরনের দূর্বল ইনফ্লুয়েঞ্জায় পরিণত হওয়ার মাধ্যমে  রক্ষা পাবেন বলে এসমস্ত বিক্ষোভে তারা দাবি করেন। অন্যথায় পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থার আওতায় পৃথিবীর কোন দেশেই করোনা ভাইরাস বা এর মতো কোন মহামারী থেকেই মানুষকে মুক্ত করা যাবে না বলে বিক্ষুব্ধ মানুষদের মত। অসহ্য অবস্থায় থাকা পৃথিবীব্যাপী বিক্ষুব্ধ মানুষরা মনে করছেন প্রচলিত পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থাই হচ্ছে বিশ্বব্যাপী শ্রমিক জনগণের জন্য এক মহামারী ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

Related articles

ভালুকায় কাভার্ডভ্যান উল্টে ২জন নিহত

কাভার্ড ভ্যান উল্টে নিহত, ভালুকা, ময়মনসিংহ

ভালুকায় পিকাপ গাড়ীসহ চোর চক্রের ৫ সদস্য আটক 

আফরোজা আক্তার জবা, ভালুকা প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ভালুকায় ২টি চোরাই পিকাপ গাড়ীসহ চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।...

ভালুকায় ধান ক্ষেত থেকে গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

আফরোজা আক্তার জবা ভালুকা প্রতিনিধিঃময়মনসিংহের ভালুকায় হাজেরা খাতুন(৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে ভালুকা মডেল থানা...

ভালুকায় পথচারীদের মাঝে পানি ও স্যালাইন বিতরণ

আফরোজা আক্তার জবা, ভালুকা প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ভালুকায় প্রচন্ড তাপদাহে মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে পথচারীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার...